পল্লীবিদ্যুতের সেবা নিয়ে ক্ষোভ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী
মেহেদী হাসান স্মরণ:
পল্লীবিদ্যুতের অনিয়মিত সেবার কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। জামালপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার কারণে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।
সম্প্রতি সাংবাদিক আকন্দ সোহাগ (খবরওয়ালা) ফেসবুকে একটি প্রশ্ন তোলেন— “পল্লীবিদ্যুৎ এর সেবা কেমন পাচ্ছেন?” তার এ প্রশ্নের জবাবে এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেন নানা মন্তব্যে।
এলাকার এক কিন্ডারগার্টেন শিক্ষক ও বিশিষ্ট নাট্যভিনেতা মোস্তাফিজ লাঞ্জু লিখেছেন— “সাংঘাতিক রকমের সেবা পাচ্ছি। ২ ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ এসে ৪৫ মিনিট থেকেও চলে গেল।”
শুধু লাঞ্জুই নন, আরও অনেকে বিদ্যুতের এমন আচমকা চলে যাওয়া ও স্বল্প সময়ের জন্য আসা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় ব্যবসায়িক কাজে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। আবার শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, পরীক্ষার সময় পড়াশোনা বিঘ্নিত হচ্ছে বারবার লোডশেডিংয়ের কারণে।
এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, “প্রতিদিনই কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। ফ্রিজে খাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, ছোট বাচ্চারা গরমে কষ্ট পাচ্ছে। অথচ আমরা নিয়মিত বিল দিচ্ছি।”
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির এক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সারা দেশে বিদ্যুতের উৎপাদন সংকটের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা চেষ্টা করছি যাতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকে। তবে চাহিদা ও সরবরাহের অমিলের কারণে বারবার বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা দিচ্ছে।”
উপসংহার
পল্লীবিদ্যুতের সেবা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ বাড়ছে। এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে। নইলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠবে।
